এস বাংলা নিউজ২৪ -এ স্বাগতম

বাঘায় জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব, জমিতে থাকা আম গাছ কেটে ফেললেন প্রতিপক্ষ

 


স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী;
বাঘা উপজেলার ০৫ নং বাউসা ইউনিয়নে, আমরপুর পূর্বপাড়া গ্রামে ভোগ দখলকারী সেকেন্দার আলী বাড়ির সামনের ০৭ টি ফলজ আমগাছ কেটে ফেলেন বর্তমানে জমির মালিক দাবি করা কমিল উদ্দিন ও তার সহযোগীরা।


গত শনিবার (১৮ অক্টোবর) সকাল ০৯:৩০ মিনিটে ক্রয় সূত্রে মালিক সেকেন্দার আলী অনুপস্থিতিতে, বর্তমানে জমির আসল মালিক দাবি করা কলিম উদ্দিন, তার ভাই ও সহযোগীরা এই আম গাছ গুলো কর্তন করেন।


মাজদার রহমান ঝুন্টু ও সেকেন্দার বলেন, এই জমি টির আমি ক্রয় সূত্রে মালিক। কিন্ত আমি যার কাছ থেকে জমি কিনেছি বর্তমানে তাদের ওয়ারিশগণ জোর করে দাবি করেন যে সেই জমি কেউ বিক্রি করেন নাই, কিন্তু আমার কাছে সঠিক দলিল রয়েছে তারা এই গুলা না মেনে নিয়মিত আমাদের জমির ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালাই। 


আজ যেমন আমার ০৭ আম গাছ কেটে ফেলেছে,  এমন ঘটনা আগেও ঘটিয়েছে, গত কালকের গাছ কাটার সময় আমরা ছেলেরা কেউ বাসাই ছিলাম না, কিছু সময়ে মধ্যে আমারা খবর পাই যে তারা আমার বাসায় সামনে যত্ন করে লাগানো ০৭ (আম্ররোপালি) আমের গাছ কেটে ফেলেছে। আমরা বাসায় না থাকলে তারা প্রতিনিয়ত এই সকল আপরাধ মূলক কার্যক্রম করেন, এর আগেও অনেক বার আমাদের গাছের ডাল,পাতা কেটে নিয়ে গেছে।

আম গাছ কেটে ফেলেছে দেখার পরে আমরা ৯৯৯ কল দি, কিছু সময়ে মধ্যে খবর পেয়ে বাঘা থানার দ্বায়িত্বরত অফিসার এসআই মহিদুল সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে আসেন । ঘটনাস্থলে এসে পরিদর্শন করেন এবং গাছ কাটার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

কলিম উদ্দিন বলেন, ১০-১২ বছর আগে তোফসিল অফিস থেকে খাজনা প্রদানের জন্য নোটিশ আসে। পরে খোঁজ নিয়ে জানা গেল আমার দাদার নামের ২৩ শতক জমি খাজনা বকেয়া রয়েছে, পরে আমি বকেয়া খাজনা  পরিশোধ করি। বর্তমানে উক্ত জমির খাজনা খারিজ আমার নামে রয়েছে, আমি নিয়ম অনুযায়ী সেই জমির খাজনা দেই। আমি এই জমির প্রকৃতপক্ষে আসল মালিক কিন্তু তারা আমার জমি ভোগদখল তো দূরের কথা তারা তাদের ক্রয়কৃত জমির কাগজ ও আমাদের দেখাতে রাজি হয় না।

বাধ্য হয়ে আমি এ বিষয়ে একাধিক বার ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ দি, কিন্তু তারা উপস্থিত হয় না । পরে আমি উপায় না পেয়ে বাঘা থানায় বসি কিন্তু কোন সমাধান হয়নি।

বাঘা থানা পুলিশ উভয় পক্ষকে ঘটনাস্থলে ডেকে ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সাথে বসে তাদের জমি নিয়ে সমস্যা ও এই গাছ কাটা বিষয়ে উভয়ের সম্মতিতে ৩০ নভেম্বর বাঘা থানায় একটি শালিস বৈঠকের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।


Post a Comment

0 Comments