এস বাংলা নিউজ২৪ -এ স্বাগতম

আড়ানীতে রাতের অন্ধকারে চলন্ত পথে গৃহবধূর স্বর্ণের চেন ছিনতাই; গ্রাম্য শালিশে নিষ্পত্তি


 

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার ৬নং আড়ানী ইউনিয়নের
রাতের অন্ধকারে ঘটে গেলো এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। গত বুধবার (০১ অক্টোবর ২০২৫ ইং) সন্ধা আনুমানিক ০৬:৩০ ঘটিকায় সময় আড়ানী ইউনিয়নের অন্তর্গত বাউসা ইউনিয়ন পরিষদের পার্শবর্তী সড়াতলা নামক স্থানে রাতের অন্ধকারে এি স্বর্ণ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।

বাউসা ইউনিয়নের টাইরী পাড়া বটতলা এলাকার কিছু কিশোর ছেলে সঙ্গবদ্ধ হয়ে এই কাজ করেন বলে জানা যায়। সন্ধার সময়  ভুক্তভোগী সড়াতলা এলাকার মোঃ সুজনের স্ত্রী সাথে এ নেকার জনক ঘটনা ঘটে।

এবিষয়ে ভুক্তভোগী সুজনের স্ত্রী আমাদের জানান তার বাড়ির গৃহস্থালি কাজের জন্য বাড়ির রাস্তার এপার থেকে ওপার যাচ্ছিলেন এসময়ে কিছু বখাটে ছেলে ভ্যানে করে আসছিলেন, তারা পিছন থেকে আমার নিকটে চলে আসলে পিছন থেকে আমার গলায় থাকা স্বর্ণের চেন ধরে টান দিলে সেটি আমার গলায় আঘাত পেয়ে ছিড়ে ওদের হাতে চলে যায়। আমি সামনে এবং ছিনতাইকারী'রা আমার পিছনে থাকার কারণে বিষয় টি আমি বুঝতে পারি নাই আমার চেইন ছিড়ে নেওয়ার পর আমার স্বজরে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়, আমি চিৎকার করে উঠি যেহেতু পাশে (বেনুপুর মন্দিরে) পূজা চলছে রাস্তায়ও অনেক মানুষের আনাগোনা ছিলো এবং এটি একটি পাড়া হওয়ায় ও আমার বাড়ির কাছে হওয়ায় আমার প্রতিবেশীরা দ্রুত বের হয়ে আসে। আমায় ধাক্কা দেওয়ার কারণে আমি শারিরীক ভাবে কিছুটা আঘাত প্রাপ্ত হয়।

যখন আমি চিৎকার করে উঠি তখন সেই সঙ্ঘবদ্ধ ছিনতাইকারী'রা পালানোর চেষ্টা করেন এসময়ে কয়েক জন ভ্যান গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় এবং ৩ জন কে আমাদের এলাকার লোক ধরে ফেলে তারা হলেন বটতলার রাজু পিতা: রেজাউল, রুমেল পিতা: আয়নাল এবং আরো একজন যার নাম আমি জানিনা তবে তার বাবার নাম শুনলাম বাবলু।


উপরে উল্লেখিত ৩ জনের বিষয়ে আমরা খোঁজ নিয়ে জানতে পারি যে এর মধ্যে ১ জন আগে থেকে চুরির সাথে জড়িত ছিলো এর আগেও অনেক জায়গায় সে ধরাও খেয়েছিল। স্থানীয়রা বলেন উক্ত ঘটনা পরে এখানে পুলিশ এসেছিল, তবে কোন গ্রেফতার হয়নি।


এ বিষয় ভুক্তভোগী ও এলাকার মানুষ জানায় সেই রাতে একটি শালিশ বৈঠক হয় সেখানে বাউসা ইউনিয়ন ও আড়ানী ইউনিয়নের বিএনপি সহ অনেক জ্ঞানী ব্যক্তি উপস্থিত থেকে সর্বসম্মুখে ছিনতাইকৃত চেইনের মূল্য হিসেবে ১,৫০০০০ (০১ লক্ষ ৫০ হাজার) টাকা জরিমানা করে বিষয় টি সমাধান করেন। তবে ছিনতাইকারী পরিবার সেই টাকা দু'ই কিস্তিতে অথাৎ ২ সপ্তাহে প্রদানের আশ্বাস দেন। উল্লেখ্য ঘটনার সময়ের সেই ছিনতাইকারীর বহনকারী ভ্যান ভুক্তভোগীর বাড়িতে রাখা আছে।


এবিষয়ে বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আ.ফ.ম আসাদুজ্জামান কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন উক্ত ঘটনায় থানায় কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি।


উক্ত ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে, বাড়ির বউ'রা বাহিরে বের হতে ভয় পাচ্ছে। এলাকার অনেক ব্যক্তি তার তিব্র নিন্দা জানিয়েছেন তারা বলেন আমাদের আড়ানী বাউসা দিয়ে এমন ঘটনা কখনো আসা করি নাই ঘটেও নি। আমরা চাই উক্ত ঘটনা যেন আর পুনরাবৃত্তি না হয়


Post a Comment

0 Comments